

Published on: September 23, 2025Written by: sukunlife team
সচারাচর আমাদের সমাজে জাদুর রোগী পাওয়া যায়। জীবনে একবারও জাদুতে আক্রান্ত হয়নি এমন ঘর পাএয়া মুশকিল। অতিরিক্ত অসুস্থতা ডাক্তারি চিকিৎসায় তেমন ফলাফল না পাওয়া, হঠাৎ কারো প্রতি তীব্র ঘৃণা বা ভালোবাসা তৈরি হওয়া, পড়াশোনা বা রিজিকে বাধা, বাচ্চা না হওয়া, সংসার ভেঙে যাওয়াসহ আরো অনেক ধরণের জাদু পরিলক্ষিত হয় আমাদের সমাজে।
এই জাতীয় সকল সমস্যা থেকে পরিত্রাণের সহজ সমাধান জাদু নষ্টের আমল। দীর্ঘ কয়েক শতকে সালাফগণের অভিজ্ঞতা, বরইপাতা গোসল জাদুর জন্য কার্যকরী চিকিৎসা। শরীরে থাকা জাদু নষ্ট ও তার প্রভাব বের করার জন্য এই গোসল সাধারণত দেয়া হয়। তার সাথে মাসনুন আমল ও কোরআন পাঠ চালিয়ে যেতে হবে।
বরইপাতা গোসল পদ্ধতি:
সাতটি তাজা বরইপাতা নিন। এগুলো বেটে পিষে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর এক বালতি পানি নিয়ে এগুলো গোলান। সেখানে পড়ুন: সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, তিন কুল ৩/৭ বার পড়ে নিন। সম্ভব হলে ভালো ফলাফলের জন্য জাদু/সিহরের আয়াত যুক্ত করে নিন; সুরা আরাফ (১১৭-১২২), সুরা ইউনুস (৮১-৮২), সুরা তহা (৬৯) ১/৩ বার করে পড়ুন। পড়ার মাঝে ফু দিতে পারেন অথবা একেবারে শেষে ফু দিবেন। এখান থেকে এক গ্লাস পানি খাবেন। বাকিটা দিয়ে গোসল করে নিবেন।
নোট:
১. বালতির পানি খাওয়ার উপযুক্ত না হলে আগেই এক গ্লাস খাবার পানি আলাদা করে রাখবেন। বরইপাতা মিশিয় পাশে রেখে ফু দিয়ে খেয়ে তারপর গোসল করবেন।
২. বালতিতে পড়ার পরিবেশ না থাকলে বরইপাতা প্যাস্টের উপর পড়ে ফু দিয়ে ব্যবহার করবেন।
৩. এটা সাধারণ পানি হতে হবে। শীতকালে একান্ত অপারগতায় কুসুম গরম পানি দেয়া যায়। তবে ঠান্ডা পানি হওয়াই ভালো।
৪. বরইপাতা না পেলে কর্পূর পাতা বা নিমপাতা ব্যবহার করতে পারেন। একসাথে অনেকগুলো নিয়ে ফ্রিজে রেখেও ব্যবহার করা যাবে নষ্ট হওয়া বা শুঁকিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত। বরইপাতা গুড়া পাওয়া যায়, ওটা হলেও চলবে; সাতটার আনুমানিক হিসাব বা এক চামম ব্যবহার করবে।
-জাদুর জন্য উল্লেখিত পদ্ধতি বেশ কার্যকরী ও উপকারী মাধ্যম। কারো শরীরে জাদু বা তার প্রভাব থাকলে ৩/৭/১৪ দিন এই গোসল করলে কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ। এরপরও বারবার জাদু করা হলে বা জিনের সমস্যা আছে বলে ধারণা করতে পারলে অভিজ্ঞ রাকীর পরামর্শ নিতে হবে।