

Published on: October 12, 2025Written by: উস্তাজ ইবনে ইসহাক
ক্যান্সার—জিন সমস্যার লক্ষণ!?
ইদানীংকাল অনেক পেশেন্ট দেখা হয়েছে যাদের ক্যান্সার হয়েছে এবং শরীরে জিনও আছে। কথা বলে জানা যায়, জিন শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে দীর্ঘদিন ক্ষতি করার ফলে সে অংশে সমস্যা হয়ে ক্যান্সার রূপে প্রকাশ পায়; যার সম্পর্কে স্বয়ং জিনেরও ধারণা থাকে না মাঝেমধ্যে। অনেক সময় হয়, জিন শরীরে চলাফেরার ফলে রক্ত দূষিত হয়ে যায়; যারফলে এলার্জির পয়েন্ট বৃদ্ধি ও ক্যান্সারের মতো রোগ প্রকাশ পায়। কিছু কিছু জিন নিজ থেকেই দাবি করে, সে ক্যান্সার রোগের জন্য অনেক চেষ্টা করেছে পরবর্তীতে এই রোগ সৃষ্টি হয়েছে; হতে পারে মিথ্যা বা সত্য। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তাদের নির্দিষ্ট কিছু ক্ষমতা দিয়েছেন সে অনুযায়ী এসব করা সম্ভব। যেমনটা সম্ভব সাপের পক্ষে বিষ প্রয়োগ করা।
শুরুতেই বলে নিচ্ছি, সকল ক্যান্সার পেশেন্ট জিনের রোগী না। তবে আরব উলামায়ে কিরামের নিকট ক্যান্সার থাকার অর্থই জিনের সমস্যা, ঠিক যেমন মৃগী রোগকে নবিজির যুগ থেকে জিনের সমস্যা হিসাবে বিবেচনা করা হতো। বঙ্গদেশে মানুষ অত্যাধিক সাইন্স পূজারী হওয়ায় রব্বুল আলামিনের সৃষ্টি জগত নিয়ে অনেক সংশয়; এর উপর ভিত্তি করে তো মুমিনের চিন্তা ও গবেষণা থেমে থাকবে না!?
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম নারীদের ইস্তিহাজা বা পিরিয়ড ব্যাতিত রক্তপাত সংক্রান্ত অসুস্থতা সম্পর্কে বলেন: এটি জিন শয়তানের কাণ্ড। সে শরীরে চলাচল করে। রগে আঘাতের ফলে ব্লিডিং হয়। অর্থাৎ জিন শরীরে চলাচল ও আঘাতের ফলে শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টা সুন্নাহ সাব্যস্ত একটি বাস্তবতা।
এই বাস্তবতা অনস্বীকার্য ক্যান্সার পেশেন্টদের জিনের লক্ষণ থাকলে অনেক বেশি সম্ভাবনা সেটা জিন থেকেই হওয়ার। এই বিষয়ক আমাদের ও আলিমগণের অভিজ্ঞতা জানলে আশাকরি সহজ হবে আপনাদের। ইনশা আল্লাহ