

কোনো রোগীর জাদুর লক্ষণ পেলে সাধারণ রুকইয়াহ হলো সে জাদুর স্থান বা মাথায় হাত রেখে সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সুরা ফালাক-নাস ও সিহরের আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করবে ১৫-
২০ মিনিট অথবা সংখ্যায় বললে ৩/৭ বার পড়ে শরীরে মুছে দম করবে। পানিতে ফুঁ দিয়ে পান করবে জাদু নষ্টের নিয়তে। সম্ভব হলে এই পানি দিয়ে গোসল করে নেবে। এটা হলো জাদু নষ্টের সাধারণ পদ্ধতি। এমনটা এক/তিন/সাতবার সমস্যা-বিশেষ কেউ করতে পারে। সমস্যা একটু বেশি হলে নিম্নে দেওয়া জাদুর কমন সাজেশন ধারাবাহিকভাবে ফলো করবে।
জাদুর কমন সাজেশন
১. মাসনুন ও হেফাজতের আমল গুরুত্বের সাথে করবে। সকাল-সন্ধ্যা আয়াতুল কুরসি ও তিন কুল পড়ে শরীর বন্ধ করবে।
২. সুরা ফাতিহা ও তিন কুল পড়বে (৭ বার) সিহরের আয়াত (টিকা) ও মাসনুন দুআ পড়বে ১/৩ বার করে। তারপর পানিতে ফুঁ দিয়ে খাবে এবং গোসল করবে; টানা তিন/সাত দিন। পানির সাথে বরইপাতার গোসলের পন্থানুসরণ বেশ কার্যকরী এই সমস্যার জন্য।
অসুস্থতার জাদু হলে শিফার আয়াত-সহ পড়বে এবং মধুতে ফুঁ দিয়ে পানির সাথে মিশিয়ে খাবে।
বিচ্ছেদের জাদু হলে সুরা বাকারা (১০২) সুরা আর-রুম ২১ নং আয়াত যুক্ত করে ফুঁ দেবে।
৩. এভাবে সুস্থ না হলে, ৩/৭ দিনের বরইপাতা গোসল করবে। বেশি অসুস্থতার সমস্যা হলে উল্লিখিত ২ নং-এর নিয়মে সম্ভব হলে প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুরে ফুঁ দিয়ে খাবে।
৪. এই সময়ে শায়খ লোহাইদান বা সিহর হিবশি অডিও শুনবে। অসুস্থতা বেশি থাকলে আয়াতুশ শিফা শুনবে। অস্থিরতার জন্য বা ঘুম না হলে ৮ সুরা শুনবে। জিন-জাদুর সমস্যা হলে জিনের রোগীদের সাজেশন মিক্স করে অডিও শুনবে।
সবিশেষ-যদি জিন-জাদুর গভীর সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই রাকির পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করতে হবে। তার আগে জিন, জাদু ও নজরের সমন্বিত চিকিৎসা করবে কমন সাজেশন দেখে।
বই: সেলফ রুকইয়াহ গাইডলাইন