

Published on: October 19, 2025Written by: উস্তাজ ইবনে ইসহাক
এক বোনের ছোট থেকেই সমস্যা। তার মা, ভাই এবং বাবাও জীবিত অবস্থায় ভুগেছে আধ্যাত্মিক সমস্যায়। কখনো বুঝে উঠতে পারেনি। আমাদের সিমটমস ও রুকইয়াহ ডায়গনোসিস করে সমস্যা বুঝে আসলে সরাসরি সেন্টারে আসেন রুকইয়াহ করতে। আলহামদুলিল্লাহ সুন্দরভাবে শেষ হয় রুকইয়াহ, অনেক ইফেক্ট প্রকাশ পায় এবং শরীর পূর্বের চেয়ে হাল্কা হয়ে যায়। এরচেয়ে বড় ও অস্বাভাবিক পরিবর্তন প্রকাশ পায় বাসায় যাওয়ার পর, তার বছরের পর বছর যাবত ভোগা চোখের সমস্যা এমনভাবে ঠিক হয়ে যায়, ডাক্তার নিজেও বিশ্বাস করতে পারেনি। চলুন পুরো ঘটনা আমরা তার মুখেই শুনি:
" আসসালামু আলাইকুম
আমি কিছু কথা শেয়ার করতে চাই। আমি যখন আপনাদের ওইদিকে রুকাইয়ার জন্য যাই, আমার এর আগে থেকেই চোখে সমস্যা। আমি যখন ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন থেকে আমার চোখের সমস্যা। আপনাদের এদিকে রুকাইয়া করার পর থেকে আমি চোখে চশমা পড়তে পারি না, চশমা পরলে খুব মাথাব্যথা হয় খুব মাথাব্যথা থাকে মনে হয় যেন চশমাটা খুলে ফেললে আমার ভালো লাগবে। তো খুলে ফেললে ভালই লাগে আমি ভেবেছি আমার চশমার পাওয়ার বেড়ে গেছে আমার চোখের ডাক্তার দেখাতে হবে। আমি ডাক্তার দেখাই। ডাক্তার দেখানোর পরে ডাক্তার নিজেও অবাক যে আমার চশমার পাওয়ার কিভাবে কমে গেল। কিন্তু ডাক্তার আমাকে বলে যে একটা বয়সের পর চোখের পাওয়ার কখনোই বাড়ে না এটা তো আশ্চর্যজনক ঘটনা। ডাক্তার আমাকে বলল যে এরকম আমরা সহজে দেখিই নাই, যে মানুষের এভাবে এই বয়সে এই পর্যায়ে আসলে এমন হতে পারে। মানে চশমার পাওয়ার আমার যেখানে এত বেশি ছিল সেখানে আমার অর্ধেক হয়ে গেছে কম্পিউটারের মাধ্যমে আমার চোখের পরীক্ষা করলো উনি দেখে বলল আপনার চোখ আগের থেকে অনেক ভালো হয়ে গেছে।
রুকাইয়া করার পর থেকে আমি আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি। আমি অনেক অনেক ভালো ফিল করি নিজের শরীর আগে থেকে অনেক ভালো ফিল হয়। আমি আপনাদের কাছে দোয়া চাই। আমার জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাকে শেফা দান করে আমিন।"
রুকইয়াহ; কোরআন মু'জিযা-২